1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
গত ১২ বছর তাদের কোথাও দেখিনি: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন চাইলেন জামায়াত এমপি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার ইউএনও’র দায়িত্বে পান্না আক্তার জনগণের অর্থ পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় চাকরি শেষে ফিরেই নারীর আত্মহত্যা, খোঁজ মিলছে না স্বামীর সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী ৬ টুকরো করে শিশু আয়াত হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড তদন্তে মিলল জামায়াত নেতার চাঁদাবাজির অভিযোগ

উখিয়ার মধুরছড়ায় দিনদুপুরে পাহাড় কাটার মহোৎসব

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৭/০৮/২০২৫ ১১:৪৫ এএম

কক্সবাজারের উখিয়ায় বনবিভাগের পাহাড় কেটে একের পর এক ডাম্প ট্রাক ভর্তি করে মাটি নিয়ে যাওয়ার মহোৎসব চলছে।

উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন বড়ই তলী মধুরছড়া বায়তুন-নূর আল-ইসলামীয় মাদরাসার পাশে চলছে এই পাহাড় কাটার কার্যক্রম।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজাপালং ইউনিয়ন বড়ই তলী মধুরছড়া বায়তুন-নূর আল-ইসলামীয় মাদরাসার পাশের পাহাড় দিনদুপুরে কাটা হচ্ছে। একটি ডাম্প ট্রাকে মাটি ভরার পরে সেটা চলে গেলে, আবার আরেকটি ডাম্প ট্রাক এসে মাটি ভরছে। পরে মাটি ভর্তি ট্রাকগুলো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরের রোড দিয়ে চলে যায়। কেউ তাদের বাধা দিচ্ছে না। সহজেই পাহাড় কেটে ট্রাক ভরে মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তবে কে বা কারা মাটি কাটছে নির্দিষ্টভাবে কারও নাম জানা যায়নি।

মাটি কাটতে আসা রোহিঙ্গা শ্রমিক রহমান মিয়া জানান, তিনি দিনে ৬০০ টাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। তবে কার নির্দেশে বনবিভাগের পাহাড়ের মাটি কাটছেন সেটি বলতে পারেননি।

তিনি আরও জানান, চার-পাঁচ দিন ধরে শ্রমিক হিসেবে সেখানে পাহাড়ের মাটি কাটার কাজ করছেন। তবে এই কাজে বনবিভাগসহ কোনো ব্যক্তি তাদের বাধা দেয়নি বলে তিনি জানান।

উখিয়ার বড়ইতলী গ্রামের স্থানীয় হাবিব হোসেন বলেন, কারা পাহাড়ের মাটি কাটছে সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে প্রতিদিন পাহাড় থেকে ট্রাকভর্তি মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তা বিক্রি করছেন।

এ বিষয়ে উখিয়ার রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান, পাহাড় কাটার বিষয়টি তার জানা নেই। খোঁজখবর নিতে লোক পাঠাবেন।

কক্সবাজার দক্ষিণ সহকারী বন সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com