1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
জামায়াত-শিবির ও এনসিপিতে প্রতিমন্ত্রী নুরের মতো তেজস্বী নেতা নেই: রাশেদ খাঁন যুক্তরাষ্ট্রে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ড. ইউনূস, সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের উখিয়ায় ক্রিকেটার বাছাই করবে বিসিবি এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তা ও প্রটোকল পাচ্ছেন ড. ইউনূস প্রথম বিয়ের তথ্য জেনে যাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা করেন রাজু, লাশ ফেলে দেন নদীতে সৌদিআরবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিবছর ৩০ হাজারেরও বেশি শিশুর জন্ম হচ্ছে

পালংখালীতে চেয়ারম্যান-মেম্বার মিলেমিশে নয়ছয় করলেন মাদ্রাসার ‘৩ লাখ টাকার প্রকল্প’, নামফলক দেওয়ার পর জানল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৪/০৫/২০২৬ ১২:১৬ এএম

মাদ্রাসার মাঠ ভরাটের কথা বলে ৩ লাখ টাকার একটি সরকারি প্রকল্পে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে উখিয়ার পালংখালীতে। ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে সেই টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠেছে পালংখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় মেম্বার নুরুল হক ও চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিনের বিরুদ্ধে।

দায়সারাভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে মাদ্রাসার দেয়ালের পেছনে নামফলক দিয়ে চলে যাওয়ার পর, বিষয়টি নজরে আসে কর্তৃপক্ষের।

নামফলকে দেওয়া তথ্যমতে, পালংখালী খাতিজাতুল কোবরা বালিকা মাদ্রাসার নামে ৩ লাখ টাকার একটি প্রকল্প (কাবিটা) সম্প্রতি বাস্তবায়ন করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়— যে প্রকল্পের সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল হক।

কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, মাদ্রাসার নিজস্ব কোনো মাঠ নেই; বরং মাদ্রাসার পার্শ্ববর্তী কবরস্থানের একটি অংশে কিছু ময়লা-মিশ্রিত বালি-মাটি ঢেলে দিয়ে নামমাত্র কাজ করেছেন প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা।

পালংখালী খাতিজাতুল কোবরা বালিকা মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফরিদ চৌধুরী বলেন, ‘একটি প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলাম আমরা। ওই প্রকল্প ঠিকই দাখিল করেছেন চেয়ারম্যান, কিন্তু মাদ্রাসার নামে প্রকল্প এনে পাশের কবরস্থানের এক পাশে অল্প মাটি ভরাট করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সেখানে মাটি ভরাটের দরকার ছিল না, অথচ উচিত ছিল প্রকল্পটি মাদ্রাসায় দেওয়া।’

স্থানীয়দের মতে, তড়িঘড়ি করে ‘কর্মসৃজন’ নামে চলমান আরেকটি প্রকল্প থেকে লোক এনে কাজ সেরেছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্পের সভাপতি নুরল হক ঘটনার দায় চাপিয়ে দেন চেয়ারম্যানের ওপর। তিনি বলেন, ‘কোন প্রকল্প কোথায় বাস্তবায়ন করেছি সেটা চেয়ারম্যান জানেন।’

ভুয়া প্রকল্প নিয়ে জানতে চাইলে প্রতিবেদককে চেয়ারম্যান গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সশরীরে আসুন। ‘
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা বলেন, ‘এ রকম (অনিয়ম) হয়ে থাকলে কাজটা ঠিক হয়নি।’ তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

এদিকে, পালংখালী খাতিজাতুল কোবরা বালিকা মাদ্রাসার নামে দেওয়া ভুয়া প্রকল্পের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

সূত্র: উখিয়া নিউজ টিভি

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com