1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার হাসনাত দুঃখপ্রকাশ না করলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ: রফিকুল মাদানী

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৩/০৬/২০২৬ ১২:০২ পিএম

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com