1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
ফারাক্কা চালুর অনুমতি দেয় আওয়ামী লীগ, এখন তা ‘মরণফাঁদ’: মির্জা ফখরুল টেকনাফে ডগ ‘হেনরির’ সহায়তায় প্রাইভেটকার থেকে ৩২ হাজার ইয়াবা উদ্ধার সীমান্তে লাশ মাড়িয়ে দুটো দেশের সত্যিকারের বন্ধুত্ব হতে পারে না: আসিফ নজরুল ঘুষ না দেওয়ায় ‘ভুল’ রায় দিলেন এসিল্যান্ড গুলিতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত সুপ্রিম কোর্ট বারে ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয় প্রকাশ্যে শপথ করে যুবদল নেতা বললেন ‘ আমি অপহরণ করিনি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে গেলেন মাসুদ সাইদী

তারেক রহমানের নির্দেশে জুনায়েদ সাকিকে আসন ছাড়লেন বিদ্রোহী প্রার্থী

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/০১/২০২৬ ৯:৩২ এএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনটি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিকে (জোনায়েদ সাকি) ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এখানে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুল খালেক একজন হেভিওয়েট প্রার্থী। অবশেষে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির এই হেভিওয়েট প্রার্থী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আব্দুল খালেককে ডেকে নিয়ে গত মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় ঢাকায় বৈঠক করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৈঠকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রকাশ হয়। এরপরই নির্বাচন থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে গুঞ্জন শুরু হয়।

জোনায়েদ সাকিসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন জোনায়েদ সাকি, জামায়াতে ইসলামীর মো. মহসীন ও ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মো. সাইদুজ্জামান কামালসহ ১০ জন প্রার্থী।

নেতাকর্মীরা জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যকরী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টার পদ থেকে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক এবং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সহসভাপতির পদ থেকে মেহেদী হাসান ওরফে পলাশকে বহিষ্কৃত করে বিএনপি। তারা দুজনেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হন। যাচাই-বাছাইয়ে ১ শতাংশ ভোটার তালিকা ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এরপরই আবদুল খালেককে সমর্থন দেন মেহেদী হাসান।

জানতে চাইলে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, চেয়ারপারসন ডেকেছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে দলের সঙ্গেই আছি, একবার এমপিও ছিলাম। আরেকজনকে এখানে মেনে নিতে চাইছে না লোকজন সেটা জানিয়েছি। দলের চেয়ারম্যান বলেছেন, আমরা সবাই মিলে সহায়তা করলে নির্বাচনটা ভালো হবে। তা না হলে মুশকিল হয়ে যাবে। তিনি সহযোগিতা কামনা করেছেন। আমাকে একটি সম্মানিত পোস্টে রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, দলের চেয়ারম্যান আমাদের সহযোগিতা চেয়েছেন। দলের সবাইকে একত্র করতে বলেছেন। চেয়ারপারসন যখন আদেশ দেন, সেটি মানতে হবে। চেয়ারপারসনের কথা রাখতে হবে। তাকে সহায়তা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি এলাকায় যাচ্ছি। নেতাকর্মীসহ লোকজনের সঙ্গে কথা বলব। তাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করব। দলের বাইরে গিয়ে তো আর পারা যাবে না। চেয়ারপারসনকে সম্মান করতেই হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com