1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার মেসিদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের গোপন ছক, এক পানির বোতলেই সব ফাঁস! অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে অনেকে আছে যারা ছাত্রই না, কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক ও বিস্ফোরকসহ একাধিক মামলার আসামি উখিয়ার যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফ এলাকায় চালাচ্ছেন ত্রাস

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১২/০১/২০২৬ ৫:৪৮ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় একের পর এক গুরুতর ফৌজদারি মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হানিফ—এমন অভিযোগে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব ডিগলিয়া পালং এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ হানিফ ইউনিয়ন যুবলীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি রাজাপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করছিলেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয়ভীতি, প্রভাব বিস্তার ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছেন।

থানা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হানিফের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় অন্তত চারটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। এসব মামলায় মারধর, মাদক কারবার, বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা, হত্যাচেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নের মতো ভয়াবহ অভিযোগ রয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী—
২০০৬ সালের ২ মে উখিয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলা নং-০২-এ তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
পরবর্তীতে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি উখিয়া থানার মামলা নং-৪১/১০৩-এ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১০(গ)/৪১ ধারায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

সবশেষ ২০২৫ সালে তার বিরুদ্ধে আরও দুটি গুরুতর মামলা হয়।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে দায়ের হওয়া মামলা নং-১৫-এ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ সহ দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়া ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মামলা নং-৫৫-এ বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮ এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় তাকে আসামি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, “এতগুলো মামলা থাকার পরও হানিফ এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে। তার লোকজন দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়, কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না।” অনেকেই দাবি করেছেন, রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করছেন।

তবে প্রশ্ন উঠেছে—একাধিক মামলার আসামি হয়েও কীভাবে একজন ব্যক্তি এলাকায় এতটা সক্রিয় থাকে?
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, দ্রুত গ্রেপ্তার ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ হানিফের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: UNtv

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com