1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার মেসিদের বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের গোপন ছক, এক পানির বোতলেই সব ফাঁস! অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী এই আন্দোলনে অনেকে আছে যারা ছাত্রই না, কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ওসি ও এনএসআই পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়ানোর অভিযোগে সুজন রানাকে ঘিরে নানা প্রশ্ন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৬/০৫/২০২৬ ৪:১৬ পিএম

উখিয়ায় নিজেকে কখনো ওসি, কখনো এনএসআই সদস্য পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সুজন রানার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে গভীর রাতে ফোন দিয়ে থানায় ডাকার মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছেন তিনি।

ভুক্তভোগীদের দাবি, সম্প্রতি এক ব্যক্তিকে রাত প্রায় ১১টার দিকে ফোন দিয়ে সুজন রানা নিজেকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে থানায় দেখা করতে বলেন। তবে পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি পুলিশ কিংবা এনএসআইয়ের কোনো সদস্য নন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানা-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, “সুজন রানা নামে থানায় কোনো পুলিশ সদস্য কর্মরত নেই।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আন্দোলনের সময় তিনি বিভিন্ন শিক্ষকদের সঙ্গে নেতৃত্বমূলক ভূমিকায় দেখা গিয়েছিলেন। এরপর থেকেই এলাকায় তার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠতে শুরু করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, সুজন রানার বাড়ি ভালুকিয়া এলাকায়। ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় তার তৎপরতা বেড়ে যায়। স্থানীয় মুরব্বিদের প্রতিও তিনি সম্মানজনক আচরণ করেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন স্থানে প্রশাসনের প্রভাব দেখিয়ে চলাফেরা করেন বলেও দাবি স্থানীয়দের।

এছাড়া ইউএনও, এসপি ও ডিসির নাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের প্রশ্ন— প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে গভীর রাতে মানুষকে ফোন দেওয়া ও বিচার সালিশের নামে ডেকে হয়রানি করার পেছনে আসল উদ্দেশ্য কী?

এ ঘটনায় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরদারি ও তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন মহল।

সূত্র: উখিয়া নিউজ টিভি

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com