1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
হাসপাতালের বাথরুমে সরকারি ওষুধ দেখে ক্ষুব্ধ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: বললেন, ‘মানুষ ওষুধ পায় না’ জামায়াতের কাছে দেশের নারীও নিরাপদ না: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশে নেতৃবৃন্দ ভালোয় ভালোয় জুলাই সনদ মেনে নিন, না হলে জনগণই জবাব দেবে: জামায়াতের আমির উখিয়া’য় নিষিদ্ধ সংগঠন টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াবাসহ আটক জামায়াত জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী টেকনাফের মাদককারবারীর পাজেরো থেকে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ মেয়েটি নিজেই এমপি গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিল: জামায়াত এমপি মুহাদ্দিস খালেক জামায়াত এমপিকে জুমার নামাজ পড়াতে দেননি মুসল্লি ও বিএনপি কর্মীরা রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় মির্জা ফখরুল, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মঈন খানের নাম

চাঁদা চাওয়ায় যুবদল নেতাকে গাছে বেঁধে রাখল জনতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/০৬/২০২৬ ২:৪২ পিএম

এক খণ্ড জমি কিনে স্থাপনা নির্মাণ করছিলেন টাইলস ব্যবসায়ী নূরুদ্দিন খন্দকার খোকন। এতে বাধা হয়ে দাঁড়ান যুবদল নেতা সাব্বির আহমেদ শামীম। ওই ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন যুবদলের এই নেতা। পরে তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দারা আটক করে রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। একপর্যায়ে তাঁকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

সোমবার সকালে গাজীপুর সদরের ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের রুদ্রপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত সাব্বির আহমেদ শামীম রুদ্রপুর গ্রামের আরফান আলীর ছেলে ও ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাইলস ব্যবসায়ী নূরুদ্দিন খন্দকার খোকনের কেনা জমিতে বালু ভরাট ও স্থাপনার কাজ চলছিল। এ সময় সাব্বির আহমেদ শামীম সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় জমির মালিক নূরুদ্দিন খন্দকার খোকন জয়দেবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, ১১ দশমিক ৫৫ শতাংশ জমির বৈধ মালিক তিনি। দীর্ঘদিন ধরে জমিটির ভোগদখলেও রয়েছেন।

রোববার বিকেলে জমিতে বালু ভরাটের কাজ চলাকালে সাব্বির আহমেদ শামীম ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা খোকনকে প্রাণনাশের হুমকি দেন এবং টাকা না দিলে জমিতে কোনো ধরনের উন্নয়নকাজ করতে দেওয়া হবে না বলে জানান।

সোমবার সকালে পুনরায় কাজ শুরু হলে শামীম ও তাঁর সহযোগীরা আবারও ঘটনাস্থলে এসে চাঁদা দাবি করেন। একপর্যায়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা খোকনের ওপর হামলা চালান।

এতে খোকনের হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা শামীমকে ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। তবে সাব্বির আহমেদ শামীম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বালু ভরাটের কাজ তাঁদের জমির ওপর দিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। সে কারণে তিনি বাধা দিয়েছেন। চাঁদা দাবির অভিযোগ সঠিক নয়।

ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমরা শুনেছি। সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সাংগঠনিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জয়দেবপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কর বলেন, অভিযুক্ত শামীমকে উদ্ধারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন নূরুদ্দিন খন্দকার খোকন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন।

© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com