1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য ১.৪ কোটি ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ ইয়াবা সেবনের আসরে অভিযান, অস্ত্র-ইয়াবা,নগদ টাকা সহ আটক:২ সরাসরি মাঠে বসেই ছেলের খেলা দেখতে আসছেন ভোজিনহার মা জামায়াতের সেই এমপির বাবা এখনও জীবিত যুবলীগের দেড় মিনিটের মিছিল, সীমানা নিয়ে দুই থানার ঠেলাঠেলি ‘পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চাই’, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারজিসের দাবি সংসদে কি বলেছি, তা বুঝতে পারছি না: জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপি টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা

একটি সেতুর অভাবে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

✍️ ইমরান আল মাহমুদ •

প্রকাশিত: ২৬/১১/২০২৫ ৯:২৮ এএম

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের উত্তর জনাব আলী পাড়ায় বর্ষাকাল মানেই দুঃসহ অপেক্ষার সময়। খালের স্রোত বাড়লে কখন যে পানি নামবে সেই গণনা করেই পার করতে হয় দিন। এমনকি কেউ মারা গেলেও মরদেহ নিয়ে পানি কমানোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় । একটি সেতুর অভাবে এই মানবিক বিপর্যয় যেন প্রতি বছরই গ্রাস করে এই গ্রামের মানুষকে।

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের অর্থায়নে জোড়াতালি দিয়ে নির্মিত পাটাতনের সেতুই তাদের একমাত্র ভরসা। সেতুটি এতটাই নড়বড়ে যে প্রতিবার পা রাখলেই মনে হয় দুলে উঠছে জীবন।ধুরুমখালী উত্তর জনাব আলী পাড়ার মানুষ বহুদিন ধরে এই পথ দিয়েই যাতায়াত করছেন। একসময় কাঠের সাঁকো ছিলো যাতায়াতের ভরসা। সেটি ভেঙে গেলে তৈরি হয় বর্তমান পাটাতনের সেতু। কিন্তু সেই সেতুও এখন নাজুক অবস্থায়। একটু অসতর্ক হলেই খালের গভীরে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা। স্থানীয় মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন,“দেশ এগোচ্ছে, রাস্তাঘাট হচ্ছে, কিন্তু আমাদের গ্রামে উন্নয়নের ছোঁয়া নেই। শত শত মানুষ প্রতিদিন এই পাটাতনের ওপর ঝুঁকি নিয়ে হাঁটে।” বর্ষার সময় খালে পানি বাড়লেই সেতুর ওপর দিয়ে পারাপার বন্ধ হয়ে যায়। তখন অসুস্থ কাউকে নিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা মরদেহও পার করা যায় না।

স্থানীয়রা জানান,“বর্ষায় মরদেহ দাফন করতেও অপেক্ষায় থাকতে হয়। পানি কমলে তবেই নিয়ে যাওয়া যায় ওপারে। এই কষ্ট কেউ বুঝবে না।” সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে বাচ্চাদের চোখে-মুখে ভয় লেগে থাকে। স্লিপ করে পড়ে যাওয়ার ঘটনা এখন নিয়মিত।

শিক্ষার্থীর এক অভিভাবক জানান,“আমার বাচ্চা একদিন পা পিছলে পড়ে গিয়েছিল। এরপরও ঝুঁকি নিয়ে স্কুল মাদ্রাসা কলেজে আসা যাওয়া করতে হয়।” স্থানীয় যুবক সাইফুল ইসলাম রোহান বলেন,“একটা সেতুর জন্য কত কষ্ট ভোগ করছি আমরা। সেতু হলে আমাদের যাতায়াত, ব্যবসা, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা সবই বদলে যাবে।” উত্তর জনাব আলী পাড়ার মানুষের একমাত্র দাবি একটি স্থায়ী সেতু।

এই সেতুই শুধু যাতায়াত নয়, তাদের জীবনের নিরাপত্তা, মানুষের মর্যাদা ও দৈনন্দিন বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা এনে দিতে পারে। উন্নয়নের ঢেউ যখন দেশের সর্বত্র পৌঁছেছে তখন জনাব আলী পাড়ার মানুষও সেই ঢেউয়ের স্পর্শ পেতে চায়, পেতে চায় ভরসার একটি সেতু এমনটি প্রত্যাশা সকলের।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com