1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৮ মা’ম’লার আ’সা’মী শহরের শীর্ষ ছি’ন’তা’ইকা’রী বাবু আটক কক্সবাজারে অসুস্থ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, হাসপাতালে ভর্তি চট্টগ্রামে ক্ষমতার দম্ভে বলিয়ান নতুন ‘ডন’ বগা কক্সবাজারে দুই হাজার আইফোন ও পুলিশের সরঞ্জামসহ ৬ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জন্য সংসদে দুই হাত তুলে দোয়া করলেন জামায়াত আমির রোহিঙ্গাদের অস্তিত্ব অস্বীকার করলো মিয়ানমার এনআইডিসহ সকল পরিচয়পত্রের পরিবর্তে আসছে ‘এক-আইডি’ জামায়াতের চার নেতার বিরুদ্ধে ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, বিচারের দাবি বন্ধুর সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় উখিয়ায় তরুণীর মৃত্যু রাতে ইয়াবাসহ আটক, পরদিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে আটক হওয়া ব্যক্তি

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য জাপানের ৩৪ লাখ ডলার সহায়তা ঘোষণা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/০৯/২০২৫ ২:১৮ পিএম

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জাপান সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় ৩৪ লক্ষ মার্কিন ডলার (জাপানি ইয়েন ৫০ কোটি) সময়োপযোগী অবদানের ঘোষণাকে স্বাগত জানাচ্ছে, যা রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা সম্প্রদায় উভয়ের জন্য জীবনরক্ষাকারী সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

“বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে একাত্ম হয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মৌলিক চাহিদা পূরণে এবং আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সদস্যদের—বিশেষ করে নারী ও শিশুদের—সহায়তা প্রদানে জাপান দৃঢ়ভাবে পাশে রয়েছে,” বলেন রাষ্ট্রদূত সাইদা। “শিবিরে ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং মানবিক সহায়তার তীব্র ঘাটতি নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জাপান ডব্লিউএফপি ও সকল অংশীদারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—যাতে মানবিক সংকট আরও না বাড়ে এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত হয়, যেখানে রোহিঙ্গারা নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে মিয়ানমারে ফিরতে পারে।”

জাপানের এই নতুন অবদানের মাধ্যমে ডব্লিউএফপি ১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী ও ২ হাজার ঝুঁকিপূর্ণ বাংলাদেশিকে প্রতি মাসে খাদ্য সহায়তা ও পুষ্টি সহায়তা প্রদান করবে। পরিবারগুলো ক্যাম্পের দোকান থেকে চাল, ডাল এবং তাজা শাকসবজি কেনার জন্য ই-ভাউচার পাবে। অপুষ্টি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য ছোট শিশু এবং গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী, ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে উভয় ক্ষেত্রেই, বিশেষ পুষ্টি সহায়তা পাবেন।

২০২৪ সালের শুরুর পর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তীব্র লড়াইয়ের কারণে প্রায় ১.৫ লক্ষ নতুন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসেছে। ফলে মোট জনসংখ্যা ১১ লক্ষ অতিক্রম করেছে। চাহিদা বাড়তে থাকলেও আন্তর্জাতিক অর্থায়নের তীব্র ঘাটতি পুরো মানবিক প্রতিক্রিয়াকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে, যা খাদ্য, রান্নার গ্যাস, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং সুরক্ষা সেবা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলছে।

যদি দ্রুত অন্তত আগামী ৬ মাসের জন্য ৬ কোটি মার্কিন ডলার এবং আগামী ১২ মাসের জন্য ১৬ কোটি ৭০ লক্ষ মার্কিন ডলার অর্থায়ন নিশ্চিত না হয়, তবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ডব্লিউএফপির খাদ্য সহায়তা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

“আমরা জাপানের অবিচল অংশীদারিত্ব ও জাপানের জনগণের উদারতার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ,” বলেন ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডম স্কালপেলি। “সংকট এখন একটি সঙ্কটময় মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা সকল অংশীদারকে আহ্বান জানাই—শিবিরের মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতির আগে এগিয়ে আসার জন্য। ডব্লিউএফপিতে আমরা আমাদের অংশটুকু অব্যাহত রাখব—প্রত্যেক ডলারকে সর্বোচ্চ দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করে স্বচ্ছতা ও যথাযথ মূল্য নিশ্চিত করতে।”

ডব্লিউএফপি ইতিমধ্যেই পরিমাপযোগ্য সাশ্রয় করেছে—চলমান ও আসন্ন কার্যক্রমে প্রায় ১ কোটি ৯০ লক্ষ মার্কিন ডলার সাশ্রয়ের আশা করা হচ্ছে—যা এসেছে কর্মসূচি উন্নয়ন, আর্থিক ও লজিস্টিক সাশ্রয়, আন্তঃসংস্থাগত খরচ ভাগাভাগি এবং অন্যান্য দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে। বর্তমানে প্রতি ডলারের ৮২ সেন্ট সরাসরি রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ব্যয় হচ্ছে—যা ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে ৭১ সেন্ট ছিল।

২০১৭ সালের আগস্টে জরুরি পরিস্থিতির শুরু থেকে, জাপান বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী প্রতিক্রিয়ায় ২৪ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি অবদান রেখেছে—যার মধ্যে রয়েছে ডব্লিউএফপি, অন্যান্য জাতিসংঘ সংস্থা ও এনজিওর জন্য সহায়তা, যার সর্বশেষ সংযোজন এই নতুন অর্থায়ন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com