1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor

১৭ তারিখের গণহত্যা রায় ঘিরে কোর্টবাজারে ভয়াবহ নাশকতার ছক এঁকেছে মুফিজ মেম্বার

✍️ মুজিবুর রহমান •

প্রকাশিত: ১৫/১১/২০২৫ ৪:০০ এএম

উখিয়ার কোর্টবাজার এলাকায় ১৭ নভেম্বরের গণহত্যার রায়কে কেন্দ্র করে নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগ উঠেছে হলদিয়া পালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মুফিজ মেম্বার ও তার ভাই ফেরদৌস আহমদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গত ১৩ নভেম্বর রাতে কোর্টবাজার ও আশপাশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করা হয়।

 

এ ঘটনায় হলদিয়ার এক দলকানা বিএনপি নেতা—দলে সুবিধা করতে না পেরে—পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

মুফিজ মেম্বার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন দলীয় সভা-সমাবেশে যোগদানসহ আর্থিক সহায়তার জন্য এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য ছড়ানো, রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা এবং নাশকতায় অংশগ্রহণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান—আওয়ামী লীগের পূর্বসমর্থিত একজন সক্রিয় কর্মী এখন উল্টো উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।

 

অভিযোগ রয়েছে—মুফিজ মেম্বারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকলেও তিনি দিনে-দুপুরে কোর্টবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

 

ইউপি সদস্য পদে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে সালিশ-সংক্রান্ত টাকা, কাবিন ফি এবং বিভিন্ন সেবার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীরা জানান—তিনি সামাজিক প্রভাব ব্যবহার করে বহু পরিবারকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন।

 

পারিবারিক সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুফিজ মেম্বারের বিরুদ্ধে নিজের বোনদের জমি-জমার অংশ না দিয়ে সম্পূর্ণভাবে আত্মসাৎ করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বোনদের পৈতৃক অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে জমিগুলো নিজের দখলে রেখে সেগুলো বিক্রি বা ভোগদখল করছেন বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। তার বিরুদ্ধে বোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

 

এছাড়া তার পরিচালিত একটি অবৈধ ইটভাটার মাধ্যমে পাহাড় কাটা, ফসলি জমি নষ্ট করা এবং বনভূমি ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এসব কারণে এলাকার পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি বাড়ছে বলেও স্থানীয়দের দাবি।

 

এ ঘটনার পর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন—রায় ঘোষণার মতো সংবেদনশীল মুহূর্তে এলাকার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও নাশকতা প্রতিহত করা জরুরি।

 

তথ্য সূত্র: দৈনিক গণসংযোগ

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com