1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী এবার ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও: জামায়াত এমপি বললেন তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক সবুজায়নের বার্তা: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে উখিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর খালি পায়ের শিশু আফিফার আর্তিতে মমতার হাত বাড়ালেন ইউএনও পান্না আক্তার মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের

আরাকানে রোহিঙ্গাদের ভয়াবহ মানবিক সংকট

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/০৮/২০২৫ ৮:০১ এএম

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় আরাকান (রাখাইন) রাজ্যে রোহিঙ্গা সম্প্রদায় এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি। সরাসরি সংঘর্ষ নয়, বরং আরাকান আর্মি (এএ)-র কঠোর নিয়ন্ত্রণ, ক্ষুধা এবং জোরপূর্বক নিপীড়নের কারণে ঐতিহাসিকভাবে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত গ্রামগুলো ধীরে ধীরে জনশূন্য হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বর্তমানে আরাকানের প্রায় ৯০ শতাংশ এলাকা এএ-র নিয়ন্ত্রণে। সেখানে রোহিঙ্গাদের ওপর আরোপিত নিয়ম-কানুন ও চাঁদাবাজি এতটাই নির্দয় যে অনেক পরিবার বেঁচে থাকার তাগিদে বাধ্য হয়ে গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছে।

বুথিদং এলাকার এক রোহিঙ্গা বাসিন্দা বলেন, “আমাদের অধিকাংশই অনাহারে দিন কাটাচ্ছি। মাসে ৫০,০০০ কিয়াত দিতে হয় অস্ত্রধারী পাহারাদারদের, যা আমরা কখনও মেনে নেইনি। টাকা না দিলে শাস্তি দেওয়া হয়। এখন মানুষ খাবারের জন্য ভিক্ষা করছে।”

স্থানীয়রা জানান, ডা ফিউ চাং, ইয়োত ন্যো টাওং ও থা ইয়েত কিন মান নুসহ একাধিক গ্রাম ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণভাবে জনশূন্য হয়ে পড়েছে। অথচ এসব এলাকায় কোনো সক্রিয় সংঘর্ষ কিংবা সেনা অভিযান হয়নি।

এক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পিতা বলেন, “আমাদের গ্রামে একসময় ১০০টি পরিবার ছিল। এখন আছে ৫০টিরও কম। অনাহার, ভয় এবং অবর্ণনীয় নিপীড়নের কারণে মানুষ একে একে এলাকা ছেড়ে যাচ্ছে। এইভাবে চলতে থাকলে আরাকানে কোনো রোহিঙ্গাই আর অবশিষ্ট থাকবে না।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি গণচাপ সৃষ্টি করে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে মুছে দেওয়ার একটি নতুন কৌশল হতে পারে। আন্তর্জাতিক মহল এ বিষয়ে নীরব, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই সংকটে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক তৎপরতা জোরদারের দাবি তুলেছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com