1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
‘পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চাই’, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারজিসের দাবি সংসদে কি বলেছি, তা বুঝতে পারছি না: জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপি টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা গত ১২ বছর তাদের কোথাও দেখিনি: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন চাইলেন জামায়াত এমপি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার ইউএনও’র দায়িত্বে পান্না আক্তার জনগণের অর্থ পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ইয়াবাসহ পুলিশে সোপর্দ, চোর সন্দেহে চালান; এলাকায় ক্ষোভ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/০৯/২০২৫ ৫:২৫ এএম

ইয়াবাসহ ওমর ফারুক বিজয় নামের এক যুবককে পুলিশের কাছে সোপর্দের পর সন্দেহভাজন চোর হিসেবে ১৫১ ধারায় চালান দিয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ঘটনার দিন বিকেলে আদালত থেকে এলাকায় ফিরে বুক ফুলিয়ে ঘুরছে ওই যুবক।

 

স্থানীয় আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব মরিচ্যা এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে ওমর ফারুক বিজয় (১৯) একজন খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী। গত ২৯ আগস্ট রাতে তিনিসহ স্থানীয় জনতা কিছুসংখ্যক ইয়াবাসহ ওমর ফারুককে উখিয়া থানা পুলিশের নিকট সোপর্দ করেন। রীতিমতো পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যান। পরদিন ৩০ আগস্ট তাকে চোর সন্দেহে ১৫১ ধারায় চালান দেয়া হয়। যার কারণে ওই যুবক আদালত থেকেই জামিন নিয়ে বাড়ি ফিরে আসে।

 

আতিকুর রহমান আরও বলেন, জনতা কর্তৃক সোপর্দ করার পর সহজেই জামিন পাওয়ার কারণে এলাকার লোকজনকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে ওমর ফারুক। তার ভাষ্যমতে, ইয়াবাসহ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা যুবককে সহজেই এলাকায় ঘুরতে দেখে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

 

হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এম. মনজুর আলম বলেন, ‘ওমর ফারুক বিজয় একজন চিহ্নিত খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী। পুলিশ তাকে চোর সন্দেহে চালান দেয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

 

বুধবার সন্ধ্যায় আদালতে প্রেরণকারী কর্মকর্তা উখিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চম্পক বড়ুয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘থানায় কাউকে নিয়ে আসার পর সব দায়িত্ব ওসির। আপনি ওসি স্যারের সাথে কথা বলেন।’

আসামি চালানে অগ্রগতিকারী হিসেবে স্বাক্ষর রয়েছে ওসির। বুধবার দুপুরে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com