1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
‘পঞ্চগড়ে ক্যান্টনমেন্ট চাই’, প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারজিসের দাবি সংসদে কি বলেছি, তা বুঝতে পারছি না: জীবিত বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামায়াত এমপি টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার শিশু ওয়াহিদ হ-ত্যা: বিক্ষোভে ফুঁসছে চকরিয়া, আসামিদের পক্ষে দাঁড়াবে না আইনজীবীরা গত ১২ বছর তাদের কোথাও দেখিনি: জামায়াতকে প্রধানমন্ত্রী মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীর বাসায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ সদস্যদের ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন চাইলেন জামায়াত এমপি রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উখিয়ার ইউএনও’র দায়িত্বে পান্না আক্তার জনগণের অর্থ পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

শাহপরীর দ্বীপ থেকে বাস্তুচ্যুত ২৫০ পরিবারের পাশে শাহজাহান চৌধুরী

✍️ নিজস্ব প্রতিবেদক •

প্রকাশিত: ২৯/০৯/২০২৫ ৯:৩১ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপে নদীভাঙনের শিকার হয়ে বাস্তুচ্যুত প্রায় ২৫০টি পরিবারের দুর্দশা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সাংসদ ও হুইপ জননেতা শাহজাহান চৌধুরী।

 

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) উখিয়ার কুতুপালং হাজমরোড এলাকায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উখিয়ায় আশ্রয় নেওয়া এসব বাস্তুচ্যুত পরিবারের মধ্যে প্রায় ১৫০টি পরিবার বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ ইস্ট ও ২ ইস্ট-এর কাঁটাতারের ভেতরে অবস্থান করছে। অপরদিকে, প্রায় ১০০ পরিবার কুতুপালং হাজমরোড এলাকায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক সেবা ও বাসস্থান সংকটে ভুগছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা শিক্ষা—অধিকাংশ শিশুর জন্মনিবন্ধন না থাকায় তারা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারছে না।

 

এ সময় জননেতা শাহজাহান চৌধুরী শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (RRRC)-এর সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেন এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর সমস্যা সমাধানে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

 

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, এটি শুধু মানবিক সংকট নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com