1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
চকরিয়ায় অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতি, স্বর্ণ ও টাকা লুট বিশ্বকাপ ফুটবলের সম্প্রচার স্বত্ব পেতে পারে বিটিভি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা, আহত ৪ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি আহত সিএনজির ইঞ্জিন বক্সে ২৩ হাজার ইয়াবা, চালক আটক যাবজ্জীবনের সাজা মাথায় নিয়ে আত্মগোপন, অবশেষে ধরা আদালতে সোহেল রানার দায় স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা, স্ত্রীকে নির্দোষ দাবি কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ : পাহাড়তলীতে যুবক নিহত, আহত ২ উখিয়া উপজেলা বিএনপির ৮ ইউনিয়নের কমিটি বিলুপ্ত, আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলকর্মী হত্যা, গ্রেপ্তার ৮

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/১০/২০২৫ ১:২৬ পিএম

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন এক্সেস রোড এলাকায় যুবদলকর্মী সাজ্জাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

বাকলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাম্মেল হক ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক (নি.) আফতাব হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) কিশোর মজুমদারের সঙ্গে বাকলিয়া থানা ও মহানগর গোয়েন্দা শাখার একাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন-সবুজ ইসলাম মিরাজ (২৪), মো. সাইদুল ইসলাম (২০), এমরান হোসেন সাগর (৩০), জিহান (২২), মো. তামজিদুল ইসলাম প্র. সাজু (৪৭), মো. আরাফাত (২২), মো. ওসমান (২৮) ও দিদারুল আলম রাসেল। গ্রেপ্তারদের বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত পৌনে ১টার দিকে বাকলিয়া থানার এক্সেস রোড সংলগ্ন মদিনা আবাসিক এলাকার সামনে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে যুবদলকর্মী সাজ্জাদ হোসেন (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আরও অন্তত ১৩ জন আহত হন।

এ ঘটনায় নিহত সাজ্জাদের বাবা মো. আলম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩৫–৪০ জনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন।

এজাহারে যুবদল নেতা বোরহান উদ্দিন, নজরুল ইসলাম সোহেল, মিল্টন, ছোট বাদশা, ইউসুফ প্র. হিরন, সবুজ ইসলাম মিরাজ, সাইদুল ইসলাম, এমরান হোসেন সাগর, দিদার, রিয়াজ করিম, জিহান, তামজিদুল ইসলাম প্র. সাজু, আরাফাত, ছোট বোরহান, মোজাহের মেম্বার, এহতেশামুল হক ভোলা ও নাঈম উদ্দিনসহ আরও অনেকে অভিযুক্ত হয়েছেন।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারদের কয়েকজন হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনাটির পেছনে দলীয় আধিপত্য ও এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বিরোধকে মূল কারণ হিসেবে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কিশোর মজুমদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা টার্গেট করে অভিযান চালাচ্ছিলাম। এজাহারনামীয় ও তদন্তে শনাক্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সংঘর্ষে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভিডিওচিত্র পর্যালোচনা করে অন্যদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com