দেশের সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলো নিয়ে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত বড় পরিসরের বিতর্ক উৎসবে দেশসেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছেন উখিয়ার মাশরাফুল ইসলাম ফাহিম। ডিবেট বাংলাদেশের উদ্যোগে ডুয়েট ডিবেটিং সোসাইটির সহযোগিতায় গতকাল ১৪ ডিসেম্বর
উখিয়া, কক্সবাজার: শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উখিয়া উপজেলার এনসিপি ও ছাত্রশক্তির নেতারা। উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা স্টেশন কোর্ট বাজারে বৃহস্পতিবার শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজার
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বাজার তদারকি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজার জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হাসান
উখিয়ার থাইংখালীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থী ও সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় থাইংখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে থাইংখালী শিক্ষক পরিবারের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতি
কক্সবাজার–৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনকে ঘিরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপ এখন তুঙ্গে। সীমান্তঘেঁষা ভৌগোলিক অবস্থান, দেশের বৃহত্তম রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির, মাদকব্যবসা, মানবপাচার ও চাঁদাবাজি—সব মিলিয়ে আসনটি বরাবরই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। এ
কক্সবাজারের উখিয়ায় বনের জমি দখল করে গড়ে তুলছে দেশি-বিদেশি সংস্থাও (এনজিও, আইএনজিও) অফিস। যার ফলে দখল হয়ে যাচ্ছে হাজারো একর সরকারি বনভূমি। ইতিমধ্যে ছয় এনজিওকে নোটিশ দিয়েছে বন বিভাগ। গত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তি কক্সবাজার জেলা শাখার সদ্য ঘোষিত নতুন কমিটি’র যুগ্ম সদস্য সচিব জিনিয়া শারমিন রিয়া স্ব-পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর)
মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জামাল উদ্দিন ২০১২ সালে সেনা নির্যাতনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পে আত্মীয়ের বাসায় থাকলেও নানা জটিলতায় তিনি নিবন্ধিত হতে পারেননি। পরে চট্টগ্রামে কয়েক বছর
কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) জানায়, মঙ্গলবার বিকেল ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ক্যারেঙ্গাঘোনা এলাকায়
উখিয়া ও টেকনাফে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাইরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছে রোহিঙ্গাদের অবৈধ ভাড়া বাসার এক বিশাল নেটওয়ার্ক। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও জমির মালিকদের সরাসরি সহযোগিতায় শত শত রোহিঙ্গা পরিবার