ক্ষমতায় গেলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে বলে নির্বাচনী ইশতেহারে জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনে
ভারতের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘দ্য উইক’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে সরকার গঠন করলেও বাংলাদেশ কোনোভাবেই ধর্মরাষ্ট্রে পরিণত হবে
মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে পলাতক থাকা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা বর্তমানে ভারতের কলকাতা ও দিল্লিতে আত্মগোপনে আছেন। দেশটির এই দুই শহরকে কেন্দ্র করেই দল পুনর্গঠন
ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা আইন অমান্য করে গানম্যানসহ প্রবেশের চেষ্টা এবং তা বাধা দেওয়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হুমকিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা.এস এম খালিদুজ্জামান।এ ঘটনার একটি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম বলেছেন, জামায়াতের আমির পরিষ্কারভাবে বলেছেন, তারা ক্ষমতায় যেতে পারলে ইসলাম অনুযায়ী দেশ চালাবে না, তারা দেশ চালাবে প্রচলিত আইনে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে স্থানীয় এক সমাবেশে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে যোগ দেওয়া আওয়ামী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে ইসলামী লেবাসধারী একটি দল আছে। দলটির নাম জামায়াতে ইসলাম। ইসলামের কথা বলা এই দলটির মাঝে প্রকৃত
নারীবিদ্বেষী বক্তব্যের কারণে ডা. শফিকুর রহমানের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতারা। আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তাঁরা এ দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, যে নারীদের সম্পর্কে এমন
বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের (বটগাছ) মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ গাজী আব্দুর রহীম রুহী। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের
ভোটের মাঠে জামায়াতে ইসলামীর ‘পূর্ণ সমর্থন’ না পেয়ে নাখোশ ১১ দলের শরিকরা। এ দলগুলোর মধ্যে অভিযোগ, ছেড়ে দেওয়া চারটি আসনে জামায়াত প্রার্থীরা থেকে যাওয়ায় শরিকরা নির্বাচন থেকে প্রায় ছিটকে গেছেন।