1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
রামুর রেজুখাল চেকপোস্টে ২ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী ফাতেমা আটক র‌্যাবের অভিযান: টেকনাফে ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন ও ঈদগাঁওয়ে অস্ত্রসহ ২ জন গ্রেফতার মসজিদের কক্ষে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মানসিকভাবে অসুস্থ, তার চিকিৎসা দরকার: রাশেদ কে হচ্ছেন বিসিবির কক্সবাজারের কাউন্সিলর? উখিয়ায় ঝুলন্ত অবস্থায় মিললো কিশোরীর মরদেহ! ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার আসামিকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি করে ১৯ লাখ টাকা ছিনতাই: ‎জামায়াত এমপির ভাগ্নে কারাগারে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের চ্যালেঞ্জ শনাক্তে কক্সবাজারে যাচ্ছে ইসি টেকনাফে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

হাসিনা গেল, কিন্তু হাসিনার পুলিশ গেল না

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৭/০৮/২০২৫ ৩:২৮ পিএম

৩ দফা দাবি আদায়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসবভন যমুনা অভিমুখে যাত্রাকালে পুলিশের বাধার মুখে পড়েন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় পুলিশের কড়া সমালোচনা করেছেন বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ। বুধবার বিকেলে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘হাসিনা গেল, কিন্তু হাসিনার পুলিশ আর গেল না।’

ফাইয়াজ বলেন, ‘মিন্টো রোডের সামনে আসার পরে কোনো ব্যারিকেড নেই, পুলিশ নেই। রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলছে। আমরা কয়েকজন মিলে থামালাম সবাইকে। ছবির ভদ্রলোক (ডিসি মাসুদ আলম) এসে ২০ ব্যাচের এক ভাইয়ের গলা চেপে ধরলেন। বেশ কয়েকজনকে ঘুষি-লাথি দিলেন পেছন থেকে এসে। আমাদের আজকের বেশিরভাগ শিক্ষার্থী ছিল ঢাকার বাইরের। দেখে খেপে গিয়ে তারা মিন্টো রোডে ঢুকল।’

তিনি বলেন, ‘আমি নিজে তারপরে সামনে গিয়ে থামালাম কয়েকজন ভাইকে নিয়ে। এর মিনিটখানেক পর দেখি হঠাৎ পায়ের নিচে সাউন্ড গ্রেনেড আর লাঠিচার্জ শুরু। আমি পেছনে ঘুরে সবাইকে আটকে রেখেছি। আর হঠাৎ পুলিশ এসে লাঠিচার্জ।’

এরপরে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে গেল। যমুনার কোনো এক সিকিউরিটি ইনচার্জ এসে বললেন, বাবা, তুমি ওদের পেছাতে বলো একটু গিয়ে। আমি কিছু কথা বলে বললাম, আপনারা টিয়ার শেল বা সাউন্ড গ্রেনেড আর মাইরেন না, আমরা পেছাচ্ছি। অথচ শিক্ষার্থীরা যাওয়ার আগেই টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান ব্যবহার করল। যাকেই একা পেয়েছে, ধরে পেটিয়েছে। একজনের মেরুদণ্ডে স্প্লিন্টার ঢুকে গেছে।’ ফাইয়াজ আরও বলেন, ‘ছাত্রদের ওপর হামলার পর যদি ম্যাও ম্যাও করে সবাই পালাইতো তাহলে আজ হাসিনার সরকারই থাকত। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, ছাত্ররা আগে হামলা করেছে এর সত্যতা জুলাইয়ে ২০০০ পুলিশ নিহত হওয়া থেকে বিন্দুমাত্র বেশি নয়। হাসিনা গেল, কিন্তু হাসিনার পুলিশ আর গেল না।’

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com