1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
উখিয়ার থাইংখালীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: ধ্বংস হচ্ছে পরিবেশ, ঝুঁকির মুখে সড়ক রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব বিষয়ে কি বলেছেন আইনমন্ত্রী? রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মুহিব উল্লাহ হত্যা মামলার আসামি খাইরুল গ্রেপ্তার একই হারে পে-স্কেল পেতে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও : শিক্ষামন্ত্রী আগামী লোকসভা নির্বাচনেই মোদি সরকারের পতন হবে: অভিজিৎ দীপকে চকরিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২, আহত ৫ টেকনাফে অস্ত্রের মুখে মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ টেকনাফে ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ফেলে পালালো পাচারকারীরা টেকনাফে মালয়েশিয়া পাচারের সময় নারীসহ উদ্ধার ৯ কক্সবাজার জেলা বিএনপির উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের বর্ণাঢ্য র‍্যালি

আগামী লোকসভা নির্বাচনেই মোদি সরকারের পতন হবে: অভিজিৎ দীপকে

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/১১/২০২৬ ৪:৫৭ পিএম

আগামী ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতের বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে। এমনটাই মনে করেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একই সঙ্গে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারে পরিবর্তন আনতে দেশবাসীকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শনিবার কেরালার কোচিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আয়োজিত ওই প্রতিবাদ সমাবেশে দীপক বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল সরকার পরিবর্তন সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সিজেপির ‘জন্তর মন্তর অ্যাট কোচি’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।

বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীপক অভিযোগ করেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রক্ষা করতে বিজেপি সরকার দেশের তরুণ প্রজন্মের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জ্ঞানেশ কুমার এতটা গুরুত্বপূর্ণ কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জাতীয় পতাকা নিয়ে দিল্লির জন্তর মন্তরে প্রবেশের অভিযোগে সিজেপির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার সঙ্গে তার গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ তুলে দীপকে বলেন, যেখানেই যাবেন, সেখানেই জাতীয় পতাকা বহন করবেন।

তিনি বলেন, ‘এই তেরঙ্গা পতাকা উঁচিয়ে ধরার অপরাধে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আমার দুই ভাই সৌরভ ও আশুতোষকেও একই কারণে কারাগারে পাঠানো হয়। ভারতে সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিল ব্রিটিশ শাসনামলে।’

এনডিএ সরকারের সঙ্গে ব্রিটিশ শাসনের তুলনা করে দীপকে অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার মানুষের স্বাধীনতা ও অধিকার খর্ব করার চেষ্টা করছে।তিনি বলেন, ‘আমাকে গ্রেপ্তার করতে চাইলে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কেরালা কিংবা তামিলনাড়ু—দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকেই গ্রেপ্তার করুন। প্রতিটি জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করুন, কিন্তু আমি আবার ফিরে এসে এই তেরঙ্গা পতাকা উঁচিয়ে ধরব।’

দীপকের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার ধীরে ধীরে মানুষের খাদ্যাভ্যাস, বিয়ে ও ভালোবাসার স্বাধীনতা থেকে শুরু করে ভোটাধিকার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করতেই এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছে মানুষ কী খাবে, এরপর কার সঙ্গে বিয়ে করবে ও ভালোবাসবে, আর এখন তারা নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে মানুষ কাকে ভোট দেবে।’

দীপক বলেন, বি আর আম্বেদকর, মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুর আদর্শের ভিত্তিতেই ভারতের রাষ্ট্রীয় কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

তার দাবি, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে দেশ অনেকটাই নীরব হয়ে পড়েছিল। তবে জন্তর মন্তরের প্রতিবাদ কর্মসূচি মানুষের মধ্যে আবারও কথা বলার সাহস ও প্রতিবাদের শক্তি ফিরিয়ে এনেছে।

কেন্দ্রীয় সরকার তরুণ প্রতিবাদকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন দীপকে। তার দাবি, ক্ষমতাসীনদের প্রশ্ন করতে শুরু করায় তরুণদের নিশানা করা হচ্ছে। বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মীয় বিভাজন তৈরির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থেই দেশে দাঙ্গা-হাঙ্গামা উসকে দেওয়া হচ্ছে।

রাজেন্দ্র ময়দানে আয়োজিত ওই সমাবেশে বিভিন্ন বয়সি বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। যুব ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও এতে যোগ দেন। পাশাপাশি পরিবেশিত হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com