1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার হাসনাত দুঃখপ্রকাশ না করলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ: রফিকুল মাদানী

উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবা গায়েব করে দুই রোহিঙ্গাকে ছেড়ে দিল পুলিশ!

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০১/০৬/২০২৬ ৪:৫৩ পিএম

ঈদুল আজহার আগের দিন ২৭ মে বুধবার, ভোর আনুমানিক ৬ টা। উখিয়ার রত্মাপালং ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকায় একটি গ্রামীণ সড়কের উপরে অবস্থান করছিল পুলিশের একটি দল।

সেই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন উখিয়া থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) চম্পক বড়ুয়া, যার কাছে তথ্য ছিল পার্শ্ববর্তী পার্বত্য ইউনিয়ন ঘুমধুমের ফাত্রাঝিরি সীমান্ত এলাকা থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা যোগে ইয়াবার চালান সহ দুই রোহিঙ্গা মাদক কারবারি গয়ালমারা অতিক্রম করবে।

অটোরিকশাটি গয়ালমারায় পৌঁছানোর সাথে সাথে চম্পক ও তার সাথে থাকা ৩/৪ জন পুলিশ সদস্য মিলে আটক করেন এবং সেসময় তল্লাশিতে পাওয়া যায় দুই প্যাকেটে থাকা ২০ হাজার ইয়াবা।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানে উঠে এসেছে গায়েবি এই অভিযানের তথ্য। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবী, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো রেখে দিয়ে বহনকারী ২ রোহিঙ্গা যুবককে ছেড়ে দেন এএসআই চম্পক।

ফাত্রাঝিরি এলাকার এক নারী চম্পককে ইয়াবার চালানটির বিষয়ে জানিয়েছিলেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে৷

গয়ালমারার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, ‘ নামাজ পড়ে এলাকার রাস্তায় হাটছিলাম, এসময় দেখি টমটমসহ দুইজনকে পুলিশের লোকজন ধরে রেখেছে। তাদের কাছে ইয়াবা ছিল বলে শুনেছি।’

অভিযানে চম্পকের সাথে থাকা এক কনেস্টবল নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘ চম্পক স্যারের সাথে আমরা ছিলাম, যা করেছেন উনিই করেছেন। উনি ভালো জানেন।’

প্রায় ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে অবৈধ ইয়াবাগুলো পুলিশের এক কথিত সোর্সের মাধ্যমে রাজাপালং এলাকায় এক মাদক কারবারিকে চম্পক বিক্রি করে দিয়েছেন বলে তথ্য মিললেও সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।

রহস্যজনকভাবে এই অভিযানের বিপরীতে উখিয়া থানায় কোন মামলা হয়নি। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, ‘ এরকম কোন অভিযান আমার নির্দেশনায় হয়নি, যদি অভিযান হতো তাইলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতো। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

চট্টগ্রাম জেলার বাসিন্দা চম্পক বড়ুয়া বিয়ে করেছেন উখিয়ার কুতুপালং এলাকা থেকে। শশুড়বাড়ি নিজ কর্মস্থলে হওয়ার সুবাধে তিনি স্থানীয় মাদক কারবারি-অপরাধীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

ইয়াবা গায়েব ও মাদক কারবারিদের ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে চম্পক বলেন, ‘ এই ওসির আমলে আমি কোন অভিযান করিনি, আপনি খবর নিয়ে দেখতে পারেন। ‘

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়ে টিটিএন’কে বলেন, ‘ মাদকের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে। কোন পুলিশ সদস্য যদি ইয়াবাকান্ডে জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই তদন্ত সাপেক্ষে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‘

অতীতেও উখিয়া থানায় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের এমন বিতর্কিত ইয়াবাকান্ডে জড়িয়ে পড়ার নজির আছে।
সূত্র: টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com