1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফের ‘জাফর চেয়ারম্যান’ দুনীর্তির দায়ে ৭ বছরের সাজা নিয়ে কারাগারে টেকনাফে অনলাইন জুয়া চক্রের ৯ সদস্য আটক বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী এবার ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লিখিত আবেদন কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও: জামায়াত এমপি বললেন তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক সবুজায়নের বার্তা: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে উখিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর

সাতক্ষীরায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ, বেতন উত্তোলন!

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২২/১০/২০২৫ ১০:০৪ এএম

সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন (ইনডেক্স নং-৫৫২৮৮৮) এর বিরুদ্ধে। অভিযোগ আছে, জাল সনদ, অবৈধ নিয়োগ ও আর্থিক দুর্নীতির। এ বিষয়ে একে এম মাহফুজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, খুলনা অঞ্চলের উপ-পরিচালক সহ একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) আরিফা এদিব চৌধুরী জাল কম্পিউটার সনদ ব্যবহার করে চাকরি লাভ করেন। কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা না থাকায় তার সনদ নিয়ে সন্দেহ হলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি যাচাইয়ের জন্য আবেদন করে। পরবর্তীতে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (নেকটার), বগুড়া থেকে প্রাপ্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় সনদটি নেকটার কর্তৃক ইস্যুকৃত নয়, এটি জাল বা ভূয়া। এই প্রমাণের ভিত্তিতে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি ১৮ এপ্রিল ২০২২ তারিখে আরিফা এদিব চৌধুরীকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করে, এবং তার এমপিও ভাতা বন্ধের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়।

তবে পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষক মোঃ মেয়াজ্জেম হোসেন ও তার স্বামী আলতাফ হোসেন পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হয়ে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বরখাস্তপ্রাপ্ত ওই শিক্ষককে পুনঃবহাল ও বেতন উত্তোলনের সুযোগ করে দেন। এছাড়াও অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, ১৯৯৯ সালে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্র সুপিয়ান গাজীকে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে নৈশ প্রহরী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চাকরি প্রত্যাশী ফিরোজ আলমের কাছ থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণের পরও তাকে চাকরি না দেওয়ায় তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন (সিআর ৭৪০/২২, শ্যামনগর আদালত)। বিষয়টি নিয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে, এবং তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে।

এছাড়াও একই ধরনের আরও দুটি মামলা (৭৬৯/২২ ও ৭৭০/২২) আদালতে দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের ক্ষেত্রে অনুমোদন না থাকা সত্ত্বেও প্রধান শিক্ষক বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে চাকরি প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন (মোবাইল: ০১৩০৯-১১৮৯২১) বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কথা বলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com