1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রকাশ্যে শপথ করে যুবদল নেতা বললেন ‘ আমি অপহরণ করিনি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে গেলেন মাসুদ সাইদী নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নেটওয়ার্কের অভিযোগ, আলোচনায় ‘সোর্স’ পরিচয়ের নুরুল আমিন কক্সবাজারে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা মামলায় যুবকের ১৫ বছরের সাজা ওয়ারেন্ট তামিলে কঠোর মহেশখালী থানা পুলিশ, আটক ১১ ১৭ বছর পর কক্সবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি, নেতৃত্বে কারা আসছেন? রামুর রেজুখাল চেকপোস্টে ২ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী ফাতেমা আটক র‌্যাবের অভিযান: টেকনাফে ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন ও ঈদগাঁওয়ে অস্ত্রসহ ২ জন গ্রেফতার

অ্যাপের ফাঁদে লাখ লাখ টাকা খুইয়ে নিঃস্ব মানুষ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/০৭/২০২৫ ৬:০৪ এএম

চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের আশায় ‘আপওয়ার্ক ফ্রন্টডেস্ক–২০২৩’–এ কাজ শুরু করেছিলেন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। শুরুতে কয়েক হাজার টাকা আয়ও করেন। একপর্যায়ে তাকে আপওয়ার্কের অংশীদার হওয়ার প্রলোভন দেখানো হয়। সেই ফাঁদে পা দিয়ে তিনি এক কোটি টাকা ওই প্ল্যাটফর্মের ‘কথিত’ পরিচালকদের দেওয়া ব্যাংক হিসাবে জমা দেন। পরে অংশীদার হওয়ার কাগজ পেয়ে দেখেন সেটি ভুয়া।

ঋণ করা বিপুল অঙ্কের টাকা খুইয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়েন ওই ব্যাংক কর্মকর্তা। মামলা করেন প্রতারকদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জীবনে আমি অনেক বড় ভুল করে ফেলেছি। অনলাইনের কোনো প্ল্যাটফর্মে আগে কখনো কাজ করিনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপের একটি বার্তা পেয়ে কাজ শুরু করি। ডিজিটাল প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে নিজের সঞ্চিত অর্থ ও ধারদেনা করে আমি এক কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করে প্রতারিত হয়েছি।’

ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, গত বছরের ১১ ডিসেম্বর তার হোয়াটসঅ্যাপে নাজনীন নামে এক নারীর মেসেজ আসে। তাতে লেখা ছিল, অনলাইনে পার্টটাইম জব করা যাবে। প্রতিষ্ঠানের নাম আপওয়ার্ক। তিনি একজন প্রতিনিধি। চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের আশায় তিনি (ব্যাংক কর্মকর্তা) ওই হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে প্রভাবিত হয়ে আপওয়ার্কের ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করেন। পরে ক্রিপ্টো অ্যাকাউন্টের টাকা উত্তোলনের জন্য আরও বিনিয়োগ করতে বলা হয়। একপর্যায়ে কোম্পানির অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব পান। বেশ কয়েকটি ব্যাংক হিসাব দেওয়া হয়। সেই ব্যাংক হিসাবে ১০ দিনের (গত বছরের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর) ব্যবধানে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সবই খোয়ান।

বাংলাদেশিরা লোভে পড়ে বিভিন্ন অ্যাপসে টাকা রাখছে এবং একটা সময় সব টাকা হারাচ্ছেন। ব্যাংকের অ্যাপস ছাড়া অন্য যে কোনো অ্যাপস বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত ব্যাংক নয়। ব্যাংকের অ্যাপস ছাড়া অন্য অ্যাপসে টাকা জমা রাখা যায় না।- আইটি বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা

বেসরকারি চাকরিজীবী নাহিদুল ইসলামও (ছদ্মনাম) অনলাইন অ্যাপে বিনিয়োগ করে প্রতারিত হন। তিনি বলেন, ‘এক নারী আমাকে টেলিগ্রামে মেসেজ দিয়ে অনলাইনে কাজের অফার দেন। তারপর একটি টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত করেন। যেখানে ৬০ জন মেম্বার ছিল। গ্রুপে থাকা নারী, পুরুষ সবাই টাকা দিয়ে লাভ পাচ্ছেন- এমন স্ক্রিনশট দেন। পরে ওই নারীও আমাকে ‘পলারস্টেপ’ নামে একটি অ্যাপসে কাজ করতে বলেন। আমি ৪১০ টাকা ইনভেস্ট করলে তারা ৮২০ টাকা দেন। পরে লোভে পড়ে তাদের দেখানো অফারে দুই লাখ টাকা দেই। তখন আর লাভ দেয়নি।’

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com