কক্সবাজারের উখিয়ার সীমান্তের করইবনিয়া এলাকায় ২ লাখ পিস ইয়াবা লুটের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে প্রকৃত ইয়াবা লুটকারীরা বাঁচতে অন্য ঘাড়ে দোষ চাঁপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সরজমিন ঘটনাস্থলে ঘুরে বিভিন্ন লোকজন সাথে কথা জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে। কুতুপালং ক্যাম্পের আশ্রিত রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে একটি ইয়াবার চালান উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সীমান্তবর্তী করইবনিয়া আমতলীঘাট নামক এলাকায় পৌঁছলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা ৪জন সন্ত্রাসী অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২ লাখ পিস ইয়াবা লুট করে নিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ভুক্তভোগী যে নারী নিকট থেকে ইয়াবা লুট করা হয়েছে তার একটি ভিডিও এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে, এতে ওই নারী বলতে শুনা যায়, ইয়াবা গুলো লুট করার পেছনে জড়িত পূর্বডিগলিয়া পালং গ্রামের মৃত সুলতান আহমদ ভেন্ডার ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী ছৈয়দ আলম, ওই গ্রামের মৃত ছৈয়দ আহমদ এর ছেলেরশাহ আলম, প্রকাশ মাছি শাহ আলম, পূর্ব ডিগলিয়া উত্তর মোড়া গ্রামের শহর মুল্লুকের ছেলে হারুন অর রশিদ ও মোহাম্মদ হোছনের ছেলে মো: জাবের প্রকাশ রোহিঙ্গা জাবের। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি, ধর্ষণ, মাদক মামলা রয়েছে। এদের গ্রেফতার করলে লুট হওয়া ইয়াবা গুলো উদ্ধার হবে বলে ভুক্তভোগী এই নারী জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, প্রকৃত ইয়াবা লুট কারীরা কৌশলে ইয়াবা গুলো আত্মসাৎ করার জন্য বিভিন্ন জনের নামে সোস্যাল মিডিয়া অপপ্রচার চালাচ্ছে।
উখিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জিয়াউল হক জানান, শনিবার পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তবে এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা আরো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।