1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রকাশ্যে শপথ করে যুবদল নেতা বললেন ‘ আমি অপহরণ করিনি’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে ইসি শেখ হাসিনা উন্নয়নের নামে দেশকে দেউলিয়া করেছিল, বর্তমান সরকারকে সেই ফাঁদে পড়ার প্রয়োজন নেই: মাহমুদুর রহমান মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ায় হাসপাতালে গেলেন মাসুদ সাইদী নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নেটওয়ার্কের অভিযোগ, আলোচনায় ‘সোর্স’ পরিচয়ের নুরুল আমিন কক্সবাজারে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা মামলায় যুবকের ১৫ বছরের সাজা ওয়ারেন্ট তামিলে কঠোর মহেশখালী থানা পুলিশ, আটক ১১ ১৭ বছর পর কক্সবাজার জেলা বিএনপির নতুন কমিটি, নেতৃত্বে কারা আসছেন? রামুর রেজুখাল চেকপোস্টে ২ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা নারী ফাতেমা আটক র‌্যাবের অভিযান: টেকনাফে ১ লাখ পিস ইয়াবাসহ ২ জন ও ঈদগাঁওয়ে অস্ত্রসহ ২ জন গ্রেফতার

যা বললেন জাহেদ উর রহমান

আইন ভাঙতে চেয়ে সেনাবাহিনীকে হুমকি জামায়াত প্রার্থীর

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/০২/২০২৬ ১১:২২ এএম

ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা আইন অমান্য করে গানম্যানসহ প্রবেশের চেষ্টা এবং তা বাধা দেওয়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হুমকিমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা.এস এম খালিদুজ্জামান।এ ঘটনার একটি ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, যা একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যের বডি-অন ক্যামেরায় ধারণ করা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, ক্যান্টনমেন্টের প্রবেশপথে দায়িত্বে থাকা সেনাসদস্যরা প্রার্থীর পরিচয় জানতে চাইলে তাকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। তখন সেনাসদস্যরা ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তার স্বার্থে স্পষ্টভাবে জানান, ভেতরে অস্ত্র বা গানম্যান নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবে গানম্যান ছাড়া প্রবেশ করলে তার নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সেনাবাহিনী নেবে বলেও জানানো হয়।

কিন্তু এই আইনগত নির্দেশনা মেনে না নিয়ে ডা. এস এম খালিদুজ্জামান উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ভিডিওতে তাকে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলতে, রাজনৈতিক তুলনা করতে এবং পরিকল্পিতভাবে দেশ ধ্বংস করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করতে শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি সেনাপ্রধানের কাছে অভিযোগ করার হুমকিও দেন এবং ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় ভিডিও ধারণের নির্দেশ দেন,যা সেখানে নিষিদ্ধ বলে জানানো হয়।

ঘটনার পুরো সময়জুড়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের শান্ত, সংযত ও পেশাদার আচরণ করতে দেখা যায়। তারা বারবার একই কথা বলেন—ক্যান্টনমেন্টের আইন সবার জন্য সমান, প্রার্থী বা সাধারণ নাগরিকের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় সেনাসদস্যরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। শেষ পর্যন্ত ডা. এস এম খালিদুজ্জামান ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশ না করে গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যান।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও আলোচক জাহেদ উর রহমান বলেন, এই ঘটনাটি কেবল একজন ব্যক্তির আচরণের বিষয় নয়। এটি দেখিয়ে দেয়,ক্ষমতার কাছাকাছি গেলেই কেউ কেউ নিজেকে আইনের ঊর্ধ্বে ভাবতে শুরু করেন। একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী যদি প্রকাশ্যে নিরাপত্তা বাহিনীকে হুমকি দেন এবং আইন ভাঙতে চান, তাহলে ক্ষমতায় গেলে তার আচরণ কেমন হতে পারে। তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

তিনি আরও বলেন, এই ভিডিওটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে দেখা যায়, সেনাবাহিনী কীভাবে সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইন প্রয়োগ করেছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এমন দৃষ্টান্তই প্রয়োজন।

ঘটনাটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই ভিডিও সাধারণ মানুষের সামনে রাজনৈতিক আচরণের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেছে এবং ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com