1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
এবার ‘নারী ইস্যুতে’ রুকনিয়াত বাতিল জামায়াত নেতার জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে যতদিন রাজনীতি থাকবে, তত দিন আ. লীগও থাকবে ফ্যামিলি কার্ড শুমারিতে নিয়োগে জামায়াত নেতার সুপারিশ বসুন্ধরায় পুরো ভবনে শুধু চীনা ভাড়াটিয়া, মাসে পাচার ২০০-২৫০ কোটি টাকা এনসিপি নেতা শওকতের বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ আত্মসমর্পণ করেও জামিন মিলল না ছাত্রলীগ নেতার, কারাগারেই হলো ঠাই বাংলাদেশ-নেপালের পারস্পরিক সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে: মির্জা ফখরুল উখিয়ায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার জামিন পেয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় বেনজীর আঙুলের ছাপে রোহিঙ্গা পরিচয়, বিপাকে স্থানীয়রা

জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে যতদিন রাজনীতি থাকবে, তত দিন আ. লীগও থাকবে

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০২/০৮/২০২৬ ১১:১০ পিএম

কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার আজ রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে ‘৩৬ জুলাইয়ের অবদান: বিতর্ক ও ব্যর্থতার দায় পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংলাপে যোগ দিয়ে বললেন, বাংলাদেশে যত দিন জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি থাকবে, তত দিন আওয়ামী লীগও থাকবে।

একই সঙ্গে তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান বাতিল করে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন।

বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ প্রথম একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে বিশ্ব ইতিহাসে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই অর্জনের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।১৯৭২ সালের সংবিধান প্রসঙ্গে ফরহাদ মজহার বলেন, এ বিষয়ে কোনো আপসের সুযোগ নেই। তার মতে, জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য বর্তমান সংবিধানের পরিবর্তে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন প্রয়োজন।

ফরহাদ মজহার বলেন, ‘আমি বারবার একটা কথা বলেছি, যদিও অনেকে এতে রাগ করেছেন। আমি বলেছি, যত দিন জামায়াতে ইসলামী থাকবে, তত দিন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ থাকবে। আমি জামায়াতে ইসলামী নাম নিয়ে রাজনীতি করার ঘোরবিরোধী। কারণ, ইসলাম আমাদের ধর্ম। তার নীতিগত ও নৈতিক দিক একটি নতুন রাষ্ট্র ও নতুন সমাজ গঠনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একদিকে জনগণকে রাষ্ট্রক্ষমতার মালিক বলা হলেও পরবর্তী অংশে সংবিধানকে জনগণের ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা জনগণের সার্বভৌমত্বের ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘সংবিধান’ ও ‘গঠনতন্ত্র’ এর পার্থক্য তুলে ধরে ফরহাদ মজহার বলেন, জনগণ সংবিধানের অধীন নয়; জনগণ চাইলে নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করতে পারে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আদালত চলাকালে পেপারওয়েট ছুড়ে আইনজীবীর মাথা ফাটালেন বিচারক ডেস্ক রিপোর্ট বার্তা বাজার ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ণ 23 Shares facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing buttonprint sharing button গোপালগঞ্জে আদালতের এজলাসে কাচের পেপারওয়েটের আঘাতে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী আহত হয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এ ঘটনা ঘটে। আইনজীবীদের অভিযোগ, আদালতের বিচারক মো. সুজন মিয়া ওই পেপারওয়েট ছুড়ে মেরেছেন। আহত সাবিহা সুলতানাকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। পরে বিচারক সুজন মিয়ার আমলি ক্ষমতা (কগনিজেন্স পাওয়ার) প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রজ্ঞাপন হয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। আদালত–সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এজলাস চলাকালে পেছনের দিকে কয়েকজন আইনজীবীর কথাবার্তা নিয়ে বিচারক সুজন মিয়া অসন্তোষ প্রকাশ করেন। প্রথমে তিনি টেবিলে আঘাত করে তাদের চুপ থাকতে ইঙ্গিত দেন। এরপরও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় তিনি টেবিলে থাকা একটি কাচের পেপারওয়েট দিকে ছুড়ে মারেন। সেটি শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথার ডান পাশে আঘাত হানে। আইনজীবীরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাবিহা সুলতানা বলেন, ‘আদালতের কার্যক্রম চলাকালে আমি এজলাসে চুপচাপ বসে আমার সেরেস্তার নথিপত্র দেখছিলাম। হঠাৎ একটি বস্তু এসে আমার মাথায় আঘাত করে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা থেকে রক্ত পড়তে শুরু করে। পরে তাকিয়ে দেখি, সামনে একটি পেপারওয়েট পড়ে আছে।’ বুধবার রাতে তিনি জানান, তার কপালে সেলাই লাগেনি। তবে এখনো মাথায় ব্যথা আছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ আলম সেলিম বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। একজন বিচারকের কাছ থেকে এটি মোটেও প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার পর আমরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয়কে বিষয়টি অবহিত করি। সংশ্লিষ্ট বিচারককে বিচারিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার এখতিয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নেই, এটি উচ্চ আদালত পারেন। তাই আপাতত তার আদালতের কার্যক্রম অন্য বিচারকের মাধ্যমে পরিচালনার দাবি জানিয়েছি। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।’ এম এ আলম সেলিম জানান, ওই ঘটনা নিয়ে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা জজ বৃহস্পতিবার সকালে আইনজীবীদের সঙ্গে আবারও বৈঠক করবেন।

© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com