1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ‍্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী ইয়াবা কারবারি ধরবে এআই ক্যামেরা! কক্সবাজার-বান্দরবানের ১১ পয়েন্ট নিয়ে পুলিশের নতুন পরিকল্পনা অবশেষে র‍্যাবের জালে রাসেল হত্যা মামলার আসামি শাহজাহান উখিয়ায় সিআইডি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, যুবক গ্রেপ্তার টেকনাফের বাহারছড়ায় মাদক, অপহরণ ও মানবপাচার প্রতিরোধে পুলিশ ফাঁড়ির জায়গা পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী; ১৫ দিনের মধ্যে অগ্রগতির নির্দেশ উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি, সতর্ক থাকতে মাইকিং কক্সবাজারে ৬২ ইউপিতে ভোট, তফসিল চলতি মাসেই টেকনাফকে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা করলেন এমপি শাহজাহান চৌধুরী, কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত টেকনাফে গ্রেপ্তার

টেকনাফের নিহত একরামের পরিবারের ইচ্ছে পূরণ করলেন পিনাকী

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/১০/২০২৫ ৫:২৬ পিএম

আলোচিত ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক পিনাকী ভট্টাচার্য তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি শহীদ পরিবার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের কয়েকটি ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন।

স্ট্যাটাসে পিনাকী ভট্টাচার্য লেখেন, মোদিবিরোধী আন্দোলনে নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শহীদ রাতিনের ছোট ভাইকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে পরিবারের অনুরোধে তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নেন। তার ঘনিষ্ঠজন এমাজউদ্দীন ফরহাদের সহযোগিতায় ছেলেটিকে বিনা লাভে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। সেখানে তার আকামা ও চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এছাড়া, টেকনাফে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত একরামুল হকের পরিবারের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, একরামের স্ত্রী মেয়েদের নিয়ে চট্টগ্রামে বসবাস ও বড় মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। এ ক্ষেত্রে একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় একরামের মেয়েকে ফুল স্কলারশিপে ভর্তি করিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ করা হয়নি। পাশাপাশি পরিবারটিকে চট্টগ্রামে রিলোকেট করা হয়েছে এবং চার মাসের বাড়িভাড়া অগ্রীম প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পিনাকী ভট্টাচার্য আরও লেখেন, শহীদ পরিবারের দায়িত্ব নিতে অনেকেই আগ্রহী থাকেন, কিন্তু সঠিক পথ না পাওয়ায় তারা উদ্যোগী হতে পারেন না। তার ভাষায়, “একটা সমাজের জন্য এক-দুই হাজার পরিবারের পূর্ণ দায়িত্ব নেয়া কোনো বড় ব্যাপার নয়।” এ প্রসঙ্গে তিনি ‘জুলাই ফাউন্ডেশন’-এর দায়িত্বশীল ভূমিকার ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেন।

স্ট্যাটাসের শেষে তিনি তার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম ব্যক্তিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, “চট্টগ্রামের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ না করলেও সেটা আমাদের হৃদয়ে লেখা আছে।”

তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com