কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরীর বিশেষ সুপারিশের প্রেক্ষিতে উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ১০টি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়নে মোট ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘সার্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2)’ শীর্ষক মেগা প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে এই বিশাল অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্ট সরকারি চিঠিপত্র (স্মারক) সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ১০টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটির উন্নয়ন কাজের জন্য প্রাথমিক প্রাক্কলন (Estimates) প্রণয়ন করতে কক্সবাজার জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে প্রতিটি সুনির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৫ লক্ষ টাকা করে মোট ১০টি প্রতিষ্ঠানে সর্বমোট ৫০ লক্ষ টাকার এই বড় আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত ৪ মে ২০২৬ তারিখে এলজিইডি-এর প্রকল্প পরিচালক মোঃ আশরাফুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক স্মারকপত্রে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
অনুমোদিত তালিকায় উখিয়া উপজেলার ৫টি এবং টেকনাফ উপজেলার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও মহাশ্মশান স্থান পেয়েছে।
উখিয়া উপজেলার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানসমূহ:
১. উখিয়া দারোগা বাজার কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান শ্রী শ্রী কালী মন্দির (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
২. উখিয়া মনখালী চাকমা বৌদ্ধ বিহার (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৩. উখিয়া উত্তর ধুরুমখালী শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৪. উখিয়া মধ্য রাজাপালং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৫. উখিয়া ভালুকিয়া বাজার সংলগ্ন বড় কবরস্থান (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
টেকনাফ উপজেলার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানসমূহ:
১. টেকনাফ হ্নীলা দক্ষিণ লেদা জামে মসজিদ (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
২. টেকনাফ হোয়াইক্যং খারাংখালী জাতি কারুণ বৌদ্ধ বিহার (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৩. টেকনাফ বাহারছড়া দক্ষিণ শীলখালী চাকমা পাড়া নতুন বৌদ্ধ বিহার (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৪. টেকনাফ হোয়াইক্যং রিমনখালী পশ্চিম পাড়া মহাম্মাদীয়া জামে মসজিদ (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
৫. টেকনাফ ডেইলপাড়া শ্রী শ্রী সার্বজনীন কালী মন্দির (বরাদ্দ: ৫ লক্ষ টাকা)
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, কাজের দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে একই প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ইতিপূর্বে অন্য কোনো সরকারি ফান্ড থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়ে থাকলে বর্তমান এই আদেশটি বাতিল বলে গণ্য হবে। যথাযথ নিয়ম মেনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই প্রাক্কলন তৈরি করে প্রধান প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীদের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।