1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১৫৫ কোটি টাকা দিলো অস্ট্রেলিয়া বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ মিঠুন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে লেখালেখিই ছিল আবরারের অপরাধ: বাবা শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল সেন্টমার্টিনে ফ্রি খতনা ক্যাম্প, ৫০ শিশু অসুস্থ হওয়ায় দ্বীপ ছেড়ে পালালো আয়োজক রাষ্ট্রপতির সিল-স্বাক্ষর জাল করে মাদ্রাসার কমিটি অনুমোদনের চেষ্টা, গ্রেফতার ২

সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৭/১০/২০২৬ ৬:১৬ পিএম

দ্বীপে খতনা করার পর অসুস্থ হয়ে পড়া শিশুদের চিকিৎসা দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টিম।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কাননের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল টিম সেন্টমার্টিনে পৌঁছে শিশুদের চিকিৎসাসেবা দেয়। এ সময় খতনা করা ১২০ শিশুকে পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর সেন্টমার্টিন দ্বীপের অবকাশ রিসোর্টে আল-মোমিন সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং শায়খ মুফতী মাহবূবুল্লাহ কাসেমীর তত্ত্বাবধানে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ বিতরণ ও শিশুদের সুন্নাতে খতনা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী ২১০ শিশুর খতনা করে। পরে শিশুদের বিনামূল্যে ওষুধও দেওয়া হয়। কর্মসূচিতে অংশ নিতে মেডিকেল টিমটি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে যায়।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশাদ আলম কানন বলেন, সেন্টমার্টিনে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শিশুদের খতনা করা হয়েছিল। বুধবার সকালে সেখানে গিয়ে খতনা করা ১২০ শিশুকে দেখা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ শিশুর নতুন করে ড্রেসিং করা হয়েছে।

তিনি বলেন, খতনা করা প্রায় ১০ থেকে ১২ জন শিশুর কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। খতনার পর নিয়ম অনুযায়ী ওষুধ না খাওয়ানো এবং খতনা কার্যক্রমে নিয়োজিতদের অসচেতনতার কারণে এসব সমস্যা হয়ে থাকতে পারে।

ডা. নওশাদ আলম কানন আরও বলেন, ভবিষ্যতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় এ ধরনের চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে শিশুদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিতে হবে। খতনার পর সঠিক সময়ে ওষুধ খাওয়ানো ও ড্রেসিং করা হলে শিশুদের এ ধরনের সমস্যায় পড়তে হতো না।
তিনি বলেন, এসব শিশুকে চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও পাঠানোর প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেন্টমার্টিনেই দেওয়া সম্ভব।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com